>
>
>

লিউকেমিয়া নির্ণয় পরীক্ষা

  ১.ব্লাড রুটিন এক্সামিনেশনঃ হাতের আঙুল বা কানের লতি থেকে রক্ত নিয়ে রক্তের শ্বেত,লোহিত কণিকা ও অনুচক্রিকা পরীক্ষা করা হয়।সাধারণত পেরিফেরাল ব্লাড এ জুভেনাইল ব্লাড সেল দেখা যায় না কিন্তু লিউকেমিয়া হলে সেক্ষেত্রে ব্লাড রুটিন টেস্ট এ রক্তে অপূর্ণাঙ্গ জুভেনাইল ব্লাড সেল দেখা যায়।
  
  ২. অস্থিমজ্জার রুটিন এক্সামিনেশনঃ লিউকেমিয়া হতে পারে বলে সন্দেহ হলে অসস্থিমজ্জার কোষ পরীক্ষার জন্য বোন ম্যারো পাঙ্কচার টেস্ট করতে হবে। সাধারণত অস্থিমজ্জা বা বোন ম্যারোতে ৫% জুভেনাইল সেল থাকে তবে কারো লিউকেমিয়া হলে তার অস্থিমজার জুভেনাইল সেল্ ৩০% বা তারও বেশী বেড়ে যায় এবং শিশুদের ক্ষেত্রে এই সেল বেড়ে ৮০%-১০০% পর্যন্ত হতে পারে।
  
  লিউকেমিয়া সনাক্ত করার জন্য বোন ম্যারো টেস্ট অনেক বেশী গুরুত্বপূর্ণ। লিউকেমিয়ার বাহ্যিক লক্ষণ গুলোর সাথে বোন ম্যারো টেস্টে কারো জুভেনাইল সেল বেশী ধরা পড়লে সেক্ষেত্রে খুব সহজেই লিউকেমিয়া সনাক্ত করা যায়। ধরনভেদে লিউকেমিয়ার ট্রিটমেন্টও আলাদা হয়। সে কারনে লিউকেমিয়া সনাক্ত হবার পর এর ধরণ সম্পর্কে নিশ্চিত হতে আরও কিছু টেস্টের প্রয়োজন হয়।
  
  ১. ইমিউন টাইপিং এক্সামিনেশনঃ  এই পরীক্ষাটি করার জন্য অস্থিমজ্জা থেকে ২ এম.এল. সেল নেওয়া হয়।
  
  ২. সাইটোজেনেটিক এক্সামিনেশনঃ এই টেস্টের জন্যও বোন ম্যারো থেকে ২ এম.এল. সেল নেওয়া হয় এবং লিউকেমিয়ার উপাদান ও ক্রোমোসোম পরীক্ষা করা হয়। ক্রোমোসোম ডিসঅর্ডার পরিলক্ষিত হলে লিউকেমিয়া আছে বলে ধরে নেওয়া হয়।
  
  ৩. মস্তিষ্ক এবং স্পাইনাল সিস্টেম এ লিউকেমিয়া সেল প্রবেশ করেছে কিনা তা পরীক্ষার জন্য কটিদেশীয় স্পাইনাল ক্যানাল থেকে সামান্য সেরেব্রস্পাইনাল তরল নিয়ে পরীক্ষা করা হয়। যদি প্রবেশ করে তাকে মেডিকেল এর ভাষায় বলা হয় “লিউকেমিয়া অব লোকাল নার্ভাস সিস্টেম”।
  
  উপরে উল্লেখিত পরীক্ষা গুলো ছাড়াও আরও কিছু পরীক্ষা যেমন এক্সরে এক্সামিনেশন (চেস্ট এক্সরে, স্কাল এক্সরে, বোন এক্সরে ইত্যাদি), ই.সি.জি, লিভার ও প্লীহার আলট্রাসনিক এক্সামিনেশন, ব্লাড বায়োকেমিস্ট্রি, ইমিউন ফাঙ্কশনের পরীক্ষা ইত্যাদি করার দরকার হতে পারে। এই পরীক্ষাগুলোর সাহায্যে জানা যায় যে  শরীরের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যঙ্গ গুলো স্বাভাবিক ভাবে কাজ করছে কিনা এবং সেখানে লিউকেমিয়ার সেল অনুপ্রবেশ করেছে কিনা। যদি প্রবেশ করে সেক্ষেত্রে পরবর্তী ট্রিটমেন্ট প্ল্যান প্রনয়নের জন্যও এই পরীক্ষাগুলো সাহায্য করে।
scrollTop

কান্সারের ধরণ

মলাশয় ক্যান্সার
ফুসফুস কান্সার
গর্ভাশয়ের ক্যান্সার
পাকস্থলীর ক্যান্সার
বাকযন্ত্রের কান্সার
খাদ্যনালীর ক্যান্সার
পাকস্থলির ক্যান্সার
মস্তিস্কের ক্যান্সার
লিভার কান্সার
হাড়ের ক্যান্সার
স্কীন ক্যান্সার
যোনি ক্যান্সার
পিত্তকোষ
প্রোস্টেট ক্যান্সার
লিম্ফোমা
অগ্ন্যাশয় ক্যান্সার
এন্ডওমেটরিয়াল ক্যান্সার
থাইরয়েড ক্যান্সার
পিত্তনালীর ক্যান্সার
মুখের ক্যান্সার
কিডনি ক্যান্সার
একাধিক মেলোমা
জিহ্বা ক্যান্সার
মূত্রাশয় ক্যান্সার
ডিউড্রেনাল ক্যান্সার
সফট টিস্যু ক্যান্সার
অ্যাড্রেনাল ক্যান্সার
Nasopharyngeal ক্যান্সার
testicular ক্যান্সার
লিউকেমিয়া
মলদ্বারে ক্যান্সার
চোখের কান্সার

প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি
জাদুকরী স্টিম সেল
গ্রীন কেমোথেরাপি-ক্যান্সার চিকিৎসায় এক অনন্য সংযোজন
পেট/সিটিঃ চিত্রের সাহায্যে কোষের বিপাক প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণের একটি প্রযুক্তি যার মাধ্যমে
টার্গেটেড জীন থেরাপিঃ ক্যান্সার নিরাময়ের একটি নতুন চিকিৎসা
ফোটন নাইফ : ত্রিমাত্রিক কনফর্মাল রঁজনরশ্মি দ্বারা চিকিত্সা ------ একাধিক ক্ষেত্র প্রযোজ্য, একত

খবর ও ঘটনা
ব্যক্তিগত প্রোফাইল
  বোয়াই অ্যান্টিক্যান্সার ক্লাব সদস্য সম্মেলন মডার্ণ ক্যান্সার হসপিটাল গুয়াংজৌ থেকে সফল ভাবে চিকিৎসা নিয়ে আসা রোগীদের সম্মেলন
চট্টগ্রামে মিনিম্যালি ইনভ্যাসিভ টার্গেটেড ক্যান্সার থেরাপি প্রযুক্তি সেমিনার
ক্যান্সার চিকিৎসায় নতুন আশা মিনিম্যালি ইনভ্যাসিভ টার্গেটেড ক্যান্সার থেরাপি প্রযুক্তি সেমিনার
চট্টগ্রামে চায়না এমডিটি বিশেষজ্ঞ দলের দ্বিতীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত